বাংলাদেশের কোটি কোটি মানুষ ক্রিকেটকে ভালোবাসেন — BPL-এর রোমাঞ্চকর রাতগুলোতে, T20 বিশ্বকাপে টাইগার্সদের প্রতিটি ছক্কায়, IPL-এর শেষ ওভারের টানটান উত্তেজনায়। এই মানুষগুলো কেবল দর্শক নন — তারা প্রতিটি মুহূর্তের সাথে নিজেদের মিলিয়ে নেন। 333d-এর জন্ম হয়েছিল ঠিক সেই অনুভূতি থেকে। আমরা চেয়েছিলাম বাংলাদেশের খেলোয়াড়দের হাতে এমন একটি প্ল্যাটফর্ম তুলে দিতে, যেখানে তারা নিরাপদে, নিজের ভাষায় এবং পরিচিত পেমেন্ট পদ্ধতিতে অংশ নিতে পারবেন।
ঢাকার ব্যস্ত রাস্তায় বা চট্টগ্রামের বন্দরনগরীতে, সিলেটের চায়ের বাগানের কাছে বা রাজশাহীর শান্ত সন্ধ্যায় — 333d সবার কাছে পৌঁছাতে চেয়েছে। বিকাশ, নগদ বা রকেটে মাত্র কয়েক মিনিটে ডিপোজিট করার সুযোগ দিয়ে আমরা মোবাইল-ফার্স্ট বাংলাদেশের বাস্তবতাকে স্বীকৃতি দিয়েছি। কারণ এই দেশের মানুষ তাদের স্মার্টফোনে ব্যাংকিং করেন, খবর পড়েন, খেলা দেখেন — তাই অনলাইন বেটিংও হওয়া উচিত সেই স্মার্টফোনেই।
333d শুধু একটি বেটিং সাইট নয় — এটি একটি সম্পূর্ণ গেমিং অভিজ্ঞতা। স্লট গেমের রঙিন জগৎ থেকে শুরু করে Evolution Gaming ও Pragmatic Play Live-এর লাইভ ক্যাসিনো, ক্রিকেট বেটিং থেকে পিপি লাইভ — আমরা একটি ছাদের নিচে সব রেখেছি। প্রতিটি বিভাগ তৈরি হয়েছে বাংলাদেশী খেলোয়াড়দের রুচি ও পছন্দ মাথায় রেখে।
আমাদের পথচলায় সবচেয়ে বড় শক্তি হলো আমাদের ব্যবহারকারীরা — খুলনার সেই তরুণ যিনি প্রথম BPL মৌসুমে 333d-এ যোগ দিয়েছিলেন, বরিশালের সেই পরিবারের মানুষটি যিনি ঈদের ছুটিতে স্লট খেলেন, ময়মনসিংহের সেই ক্রিকেটপ্রেমী যিনি রাত জেগে IPL দেখেন। তাদের আস্থাই আমাদের এগিয়ে চলার প্রেরণা।
"আমরা বিশ্বাস করি স্বচ্ছতা, নিরাপত্তা এবং ব্যবহারকারীর সন্তুষ্টি — এই তিনটি মূল্যবোধই একটি দীর্ঘস্থায়ী প্ল্যাটফর্মের ভিত্তি। 333d সেই ভিত্তির উপরেই দাঁড়িয়ে।"
333d-এ আমরা বিশেষভাবে গুরুত্ব দিই দায়িত্বশীল গেমিংয়ে। বেটিং বিনোদনের একটি মাধ্যম — এটি আয়ের উৎস নয়। তাই আমরা আমাদের প্ল্যাটফর্মে বয়স যাচাই, ডিপোজিট সীমা নির্ধারণ ও স্ব-বর্জনের সুবিধা রেখেছি। ১৮+ — এই শর্তটি আমাদের কাছে শুধু একটি লেবেল নয়, এটি আমাদের প্রতিশ্রুতি।